
الکبر – অহংকার:
একজন মানুষ যখন নিজেকে অন্য কোনো মানুষের চেয়ে ভালো, অধিক ক্ষমতাবান বা বড় মনে করে; অথবা কোনোভাবে নিজেকে উত্তম বা উন্নত মনে করে, তার এই মানসিকতাকে অহংকার বলে ।
এটি একটি মানসিক অনুভূতি । যাইহোক, এটি মানুষের কাজের মাধ্যমে উদ্ভাসিত হয় । সমাজে আমরা বিভিন্ন পেশায় এবং পেশার লোকেদের সাথে যুক্ত থাকি, সেইসাথে বিভিন্ন পটভূমির লোকেদের সাথে যারা একে অপরের বিভিন্ন উপলব্ধি রয়েছে। সেজন্য তাদের মূল্যায়ন করা সহজ কাজ নয় ।
ধৈর্য ও মনোবল ছাড়া এমন মানুষের মধ্যে বসবাস করা কঠিন । অহংকারী মানুষকে কেউ পছন্দ করে না । সবাই চায় তাদের চারপাশের মানুষগুলো মাটির মতো শান্ত মানুষ হোক, মিথ্যা অভিমান ছাড়া ভালোবাসার মানুষ হোক । আর অহংকার এই কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথে অন্তরায় ।
অহংকার একটি খারাপ অভ্যাস যা পরামর্শ বা সাহায্য চাওয়ার মানসিকতাকে ধ্বংস করে । উপরন্তু অহংকারী মানুষের আচরণ ও কাজ স্বার্থপরতা, ভয় ও সন্ত্রাস সৃষ্টি করে । ফলে অন্যের অধিকার পদদলিত হয় । ভালো ও কল্যাণ বোধের পথে বাধা সৃষ্টি হয় । এমনকি নিজের যোগ্যতা ইত্যাদিরও ক্ষতি হয় । প্রতিভার বিকাশ স্তব্ধ । তাই জ্ঞানীরা বলেন, ‘ অহংকার বোধই মেধা ও প্রতিভা বিনষ্টের সহজ উপায় । ‘
বিনয় মানুষকে স্বর্গের উচ্চতায় নিয়ে যায়, আর তার বিপরীতে খ্যাতি, সম্মান, সম্পদ, প্রভাব, জ্ঞান ও বুদ্ধির গর্ব মানুষকে টেনে নিয়ে যায় মাটির অনেক নিচে—একেবারে সাত তলা ভূগর্ভে।
একটি আরবি গল্পে অহংকারের একটি চমৎকার উপমা আছে: একটি পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে কেউ যদি নিচের দিকে তাকায়, তার চোখে নিচের সবকিছু ছোট মনে হয়। সে নিজেকে বড় ভাবতে শুরু করে। কিন্তু নিচে থাকা মানুষরাও তাকে দূর থেকে ছোট দেখেন। তখন বিষয়টা দাঁড়ায়—একজন অহংকারী নিজের চোখে হাজার জনকে তুচ্ছ ভাবে, কিন্তু সেই হাজার জনের দুই হাজার চোখেও সে তুচ্ছ হয়ে যায়। অর্থাৎ, যখন কেউ অহংকারে অন্যদের ছোট করে দেখে, তখন সে নিজেই সবার চোখে ছোট হয়ে যায়।
অহংকারই সকল মন্দের মূল ।
অহংকার মানুষের ধ্বংস ডেকে আনে । এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো ইবলিস। ইবলিস ছিল জিনদের একজন এবং সে হাজার বছর ধরে আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত ছিল। এমনকি ফেরেশতাদের কাতারেও তার একটি বিশেষ মর্যাদা ছিল । কিন্তু যখন আল্লাহ আদেশ দিলেন আদম (আঃ)-কে সেজদা করতে, তখন ইবলিস তা অমান্য করল, কারণ সে নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করল । এই অহংকারের কারণেই সে আল্লাহর দয়া থেকে বঞ্চিত হলো—চিরতরে অভিশপ্ত ও নির্বাসিত হয়ে গেল।
আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর সকল মানুষকে সমানভাবে নিয়ামত দেন না। কেউ বেশি পায়, কেউ কম । কারও কাছে জ্ঞান আছে, কারও কাছে সম্পদ, কারও কাছে সৌন্দর্য বা প্রভাবশালী অবস্থান। কিন্তু এসব কিছুই আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা—দয়া, করুণা ও আশীর্বাদ ।
মানুষের উচিত, আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। যখন মানুষ সেই কৃতজ্ঞতা ভুলে যায়, তখন গর্ব জন্ম নেয়। তখন সে ভাবে, এই অর্জন তার নিজের যোগ্যতা বা পরিশ্রমের ফল। এই দম্ভ তাকে আল্লাহর নৈকট্য থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।
অহংকার থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায় হলো—নিজের প্রতিভা, জ্ঞান বা সাফল্যকে আল্লাহর দেওয়া দান হিসেবে দেখা । এগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ থাকা এবং যারা এসব দান পায়নি, তাদের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা যেন তাঁর রহমত তাদের ওপরও বর্ষিত হয় ।
এছাড়া, আমাদের মনে রাখতে হবে—আমরা যত ইবাদতই করি না কেন, তা আল্লাহর বিশাল নিয়ামতের তুলনায় কিছুই নয় । তাই অহংকার করার মতো কিছু নেই । আল্লাহ চাইলে এক মুহূর্তেই আমাদের কাছ থেকে সব কিছু ছিনিয়ে নিতে পারেন—একজন রাজাকে ফকির বানিয়ে দিতে পারেন ।
সুতরাং আমাদের উচিত সর্বদা সতর্ক থাকা । কখনোই যেন নিজের সম্পদ, শক্তি, ক্ষমতা, শিক্ষা, সৌন্দর্য বা পেশার কারণে অহংকারী না হই, কিংবা অন্যকে তুচ্ছ না করি । কারণ অহংকার আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয়, আর নম্রতা তাঁর প্রিয়।
الکبر (অহংকার) – সংজ্ঞা ও বিপদ
অহংকার বা আমিত্ব এমন এক মারাত্মক আত্মিক ব্যাধি, যা মানুষের নৈতিক চরিত্রকে কলুষিত করে এবং তাকে সত্য ও সঠিক পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। যখন অহংকার কারও অন্তরে বাসা বাঁধে, তখন তা তার বুদ্ধি, উপলব্ধি এবং ইচ্ছাশক্তিকে দখল করে ফেলে। এরপর সে সত্যকে অস্বীকার করে, বাস্তবতাকে প্রত্যাখ্যান করে, এবং বিভ্রান্তির পথে ধাবিত হয়।
একজন অহংকারী ব্যক্তি নিজের ভুল, মিথ্যা বা দুর্বলতাগুলো লুকিয়ে রাখতে নানা সাজসজ্জা বা বাহারি যুক্তি তৈরি করে। সে এমন কিছু বিশ্বাস করতে থাকে যার কোনও বাস্তবতা নেই। এইভাবে, সে নিজেই বিভ্রান্ত হয় এবং অন্যদেরও বিভ্রান্ত করে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—একজন অহংকারী ব্যক্তি যতই বড় হোক না কেন, মানুষ তাকে হীন, দাম্ভিক ও অযোগ্য বলে মনে করে এবং তাকে অপমান করে। অহংকার এমন এক নাম যেটা তারা নিজেদের দিয়ে থাকে, যারা মনে করে তারা অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ, আর বাকি সবাই তাদের চেয়ে নিচু।
ইসলামে অহংকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কুরআন ও হাদীস অনুযায়ী, অহংকার একমাত্র আল্লাহর বৈশিষ্ট্য। বান্দার পক্ষে এই গুণ ধারণ করা সম্পূর্ণ বেমানান। তাই, এক বান্দার অহংকারী হওয়া—এটা বোকার কাজ ছাড়া আর কিছুই নয়।
الْكِبْر (কিবর) এর আভিধানিক অর্থ:
অহংকারের আরবী নাম আল-কিবরু’ (الْكِبْر) যার অর্থ বড়ত্ব। অন্যের চাইতে নিজেকে বড় মনে করাই এর অন্তর্নিহিত বক্তব্য। এর পারিভাষিক অর্থ, সত্যকে দম্ভভরে প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকে তুচ্ছ জ্ঞান করা।অহংকার ও আত্মম্ভরিতা দু’টিই বড়াই ও বড়ত্বের একক উৎস থেকে উৎসারিত। বস্তুতঃ এ রোগে যে আক্রান্ত হয়, সে নিজেকে নিজে ধ্বংস করে। তার দ্বারা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, সংগঠন, এমনকি রাষ্ট্র ধ্বংস হয়। আল্লামা ইবনে ফারেস রহমাতুল্লাহি আলইহি বলেন, الكبر আল-কিবরু অর্থ: বড়ত্ব, বড়াই, অহংকার ইত্যাদি। অনুরূপভাবে الكبرياء অর্থও বড়ত্ব, বড়াই, অহংকার। প্রবাদে আছে: ورثوا المجد كابرًا عن كابر অর্থাৎ, ইজ্জত সম্মানের দিক দিয়ে যিনি বড়, তিনি তার মত সম্মানীদের থেকে সম্মানের উত্তরসূরি বা উত্তরাধিকারী হয়েছেন।আর আল্লামা ইবনু মানযূর উল্লেখ করেন, الكِبْر শব্দটিতে ‘কাফ’ যের বিশিষ্ট। এর অর্থ হল,বড়ত্ব, অহংকার ও দাম্ভিকতা।আবার কেউ কেউ বলেন, تكبّرًا তাকাব্বুরান শব্দটি كبر কিবরুন হতে নির্গত। আর تَكابَر من السن শব্দটি দ্বারা বার্ধক্য বুঝায়। আর تكبر তাকাব্বুর ও استكبار ইস্তেকবার শব্দটির অর্থ হল, বড়ত্ব, দাম্ভিকতা ও অহমিকা।
ইসলামী পরিভাষায় অহংকারের পরিচয়:
রাসূল (সাঃ) নিজেই স্বীয় হাদীসে অহংকারের সংজ্ঞা বর্ণনা করেন।
عن عبد الله بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه و سلم قال: لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مَنْ كَانَ في قَلْبِهِ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ مِنْ كِبْرٍ قَالَ رَجُلٌ: إِنَّ الرَّجُلَ يُحِبُّ أَنْ یّکُوْنَ ثَوْبُہٗ حَسَسَنًا وَ نَعْلُہٗ حَسَنِۃً قَالَ اِنَّ اللہَ جَمِیْلٌ یُحِبُّ الْجَمَالَ – الْکِبْرُ بَطَرُ الْحَقِّ وَ غَمْطُ النَّاسِ –
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাস্’ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যার অন্তরে একটি অণু পরিমাণ অহংকার থাকে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না । রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথা বললে এক লোক দাঁড়িয়ে আরয করল, কিছু কিছু লোক এমন আছে যে,সে সুন্দর কাপড় পরিধান করতে পছন্দ করে, সুন্দর জুতা পরিধান করতে পছন্দ করে, এসবকে কি অহংকার বলা হবে? উত্তরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করলেন, আল্লাহ তা’আলা নিজেই সুন্দর, তিনি সুন্দরকে পছন্দ করেন। ( সুন্দর কাপড় পরিধান করা অহংকার নয় ) অহংকার হল, সত্যকে গোপন করা এবং মানুষকে নিকৃষ্ট বলে জানা। এর অর্থ এটা নয় যে, অহংকার করলেই সে জাহান্নামে যাবে। বরং এর অর্থ হ’ল সত্য জেনেও মিথ্যার উপরে যিদ করা এবং নানা অজুহাতে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা। আর ‘অন্যকে তুচ্ছ জ্ঞান করা’অর্থ হ’ল সর্বদা নিজেকে অন্যের চেয়ে বড় মনে করা এবং অন্যের কাছে সর্বদা নিজের উচ্চ মূল্যায়ন কামনা করা। ফলে তার চাহিদা মতে যথাযথ মূল্যায়ন না পাওয়াতেই সে অন্যকে হেয় জ্ঞান করে।এ হাদীসে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুটি অংশে অহংকারের সংজ্ঞা তুলে ধরেন।
এক: بَطَرُ الْحَقِّ হককে অস্বীকার করা, হককে কবুল না করে তার প্রতি অবজ্ঞা করা এবং হক কবুল করা হতে বিরত থাকা। হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হযরত আবু মুসা আশয়ারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট চিঠি লিখেন,
ولايمنعك قضاءٌ قضيتَه اليومَ فراجعتَ فيه رأيَك فهُديت فيه لرُشدِك أن تراجعَ الحقَّ فإنَّ الحقَّ قديمٌ- وليس يُبطلُه شيءٌ- ومراجعةُ الحقِّ خيرٌ من التَّمادي في الباطل –
তুমি গতকাল যে ফায়সালা দিয়েছিলে, তার মধ্যে তুমি চিন্তা-ফিকির করে যখন সঠিক ও সত্য তার বিপরীতে পাও,তাহলে তা থেকে ফিরে আসাতে যেন তোমার নফস তোমাকে বাধা না দেয়। কারণ, সত্য চিরন্তন, সত্যের পথে ফিরে আসা বাতিলের মধ্যে সময় নষ্ট করার চেয়ে অনেক উত্তম। আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী রহমাতুল্লাহি আলইহি বলেন,
كنا في جنازة فيها عبید اللہ بن الحسن – وَ ھُوَ عَلَی الْقضَاءِ فلمَّا وضع السريرجلس- وجلس الناس حوله قال: فسألته عن مسألة فغلط فيها، فقلت: أصلحك الله القول في هذه المسئلۃ کذا و کذا الا اني لم ارد هذه، انما اردت ان ارفعك إلى ما هو اكبر منها فأطرق ساعة ثم رفع رأسه فقال إذاً أرجع وأنا صاغر- إذاً أرجع وأنا صاغر- لان اکونَ ذنبًا فی الحقِّ احبّ الیَّ من ان اکون رأساً فِی الْبَاطل –
আব্দুর রহমান ইবনে মাহদী রহমাতুল্লাহি আলইহি বলেন, একদা আমরা একটি জানাজায় উপস্থিত হলাম, তাতে ক্বাযী উবাইদুল্লা ইবনুল হাসান রহমাতুল্লাহি আলইহি হাজির হলেন। আমি তাকে একটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ভুল উত্তর দেন, আমি তাঁকে বললাম, আল্লাহ আপনাকে সংশোধন করে দিন, এ মাসআলার সঠিক উত্তর এভাবে তিনি কিছু সময় মাথা নিচু করে চুপ করে বসে থাকলেন, তারপর মাথা উঠিয়ে বললেন, আমি আমার কথা থেকে ফিরে আসলাম, আমি লজ্জিত। সত্য গ্রহণ করে লেজ হওয়া আমার নিকট মিথ্যার মধ্যে থেকে মাথা হওয়ার চেয়ে অধিক উত্তম।
দ্বিতীয়: غَمْطُ النَّاسِ বা মানুষকে নিকৃষ্ট জানা। الغمط বলা হয়, নিকৃষ্ট মনে করা, ছোট মনে করা ও অবজ্ঞা করাকে।
সুতরাং, غَمْطُ النَّاسِ অর্থ, মানুষ কে নিকৃষ্ট মনে করা, অবজ্ঞা করা, তুচ্ছ মনে করা ও মানুষকে ঘৃণা করা । মানুষের গুণের থেকে নিজের গুণকে বড় মনে করা । কারাে কোন কর্মকে স্বীকৃতি না দেয়া, কোন ভালো গুণকে মেনে নেয়ার মানসিকতা না থাকা ।
তাকব্বুর সংক্রান্ত কিছু শে’র:
غرور کس بات کا اے انسان،
چند سانسوں کا ہے مہمان۔
(তুই অহংকার করিস কিসে নিয়ে, তোর জীবন তো কয়েকটা নিঃশ্বাসের মেহমান মাত্র।)
تکبر میں جو لوگ جیتے ہیں،
وقت اُنہیں خاک میں مِلا دیتا ہے۔
(যারা অহংকার নিয়ে বাঁচে, সময় একদিন তাদের মাটিতে মিশিয়ে দেয়।)
رہتا ہے غرور جنہیں دولت پہ،
قبروں میں سب ایک جیسے سوتے ہیں۔
(যারা সম্পদের উপর অহংকার করে, কবরের ভিতরে সবাই সমানভাবে ঘুমায়।)
جو شخص خود کو بڑا سمجھتا ہے،
وہ اصل میں سب سے چھوٹا ہوتا ہے۔
(যে নিজেকে বড় ভাবে, সে–ই আসলে সবচেয়ে ছোট মানুষ।)
عبادت سے جنت ملتی ہے،
مگر تکبر سے سب کچھ چھن جاتا ہے۔
(ইবাদতে জান্নাত পাওয়া যায়, কিন্তু অহংকারে সব কিছু হারিয়ে যায়।)
غرور انسان کو لے ڈوبتا ہے،
نرمی اور عاجزی بچا لیتی ہے۔
(অহংকার মানুষকে ডুবিয়ে ফেলে, আর বিনয় তাকে রক্ষা করে।)
