মূল কনটেন্টে যান

ইলমে নাহু حروف  এর আলোচনা

শেয়ার

পোস্টটি শেয়ার করুন

Send this article to someone through your preferred app or copy the link.

ফেসবুক এক্স হোয়াটসঅ্যাপ লিংকডইন টেলিগ্রাম

ইলমে নাহু حروف  এর আলোচনা

তৃতীয় অধ্যায় ‏ بَحْثُ الْحُرُوفٌ
তৃতীয় অধ্যায় ‏ بَحْثُ الْحُرُوفٌ

তৃতীয় অধ্যায়: ‏ بَحْثُ الْحُرُوفٌ

حرف দুই ভাগে বিভক্ত:   ১) عاملٌ          ২) غير عاملٍ

عامل  হচ্ছে যা আমলকারি, আর غير عامل  হচ্ছে যার কোন প্রভাব নেই, যে গুলো কোন আমল করেনা অর্থাৎ আমল হীন ।

‏حروف عاملہ ৮ প্রকার : দুই ভাগে বিভক্ত । ‏فی الاسم  ও ‏فی الفعل

فی الاسم   মানি যে সকল হরফ ইছিম এর মধ‌্যে আমল করে । আর فی الفعل মানি যে সকল হরফ ফে’ল এর মধ্যে আমল করে ।

فی الاسم   ছয় প্রকার আর فی الفعل দুই প্রকার । এই হলো মোট আট প্রকার ।

في الفِعلِ এর দুই প্রকার:

১)   ‏ناصب  ২)   جازم

حروف ناصب ৪টি যথা : أَنْ – لَنْ – ‏کَیْ – إِذَنْ

এগুলো ফে’লে ‏مضارع এর ৫ ছীগাহতে যবর দিবে, ৭ ছীগাহ থেকে নূনে এরাবীকে হযফ করবে বা পেলে দিবে ।

حروف ‏جازم ৫টি :

 لَمْ – لَمَّا – لام امر – لَا ءِ نھی – اِنِ شَرْطِیَّہ  এগুলো ৫ ছীগাহতে জযম দিবে এবং ৭ ছীগাহ থেকে ‏نون اعرابی  হযফ করবে বা পেলে দিবে ।

 

حروف عاملہ فی الاسم ছয় প্রকার :

(১) ‏حروف جارّہ  (২) حروف مشبّہ بالفعل  (৩) حروف ما و لا  (৪) حروف ندا  (৫) حروف اسنثناء (৬) لاَءِ نفی جنس

 

(১) حروف جارّہ ১৭ টি:

‏بَاء – تَاء – کَاف – لام – واو – مُنْذُ – مُذْ – خَلَا – رُبَّ – حَاشَا – مِنْ – عَدَا – فِیْ – عَنْ – عَلیٰ – حَتّٰی – اِلٰی –

حروف جارّہ এর আমল :

এই হরফগুলো ইছিম এর শুরুতে আসিয়া ইছিম এর শেষ অক্ষরে যের দিবে । যথা : ‏بِزَیْدٍ – مِنَ اللّٰہ

 

(২) حروف مشبّہ بالفعل ৬টি :

‏اِنَّ – اَنَّ – کَاَنَّ – لَیْتَ – لٰکِنَّ – لَعَلَّ –

حروف مشبّہ بالفعل এর আমল :

এই হরফগুলো ইছিমকে যবর দিবে খবরকে পেশ দিবে । যেমন: ‏اِنَّ زَیْدًا قَائِمٌ   নিশ্চয় যায়েদ দাঁড়ানো আছে ।

 

(৩) ما و لا بمعنی لیس  ‏حروف  ২টি ।

এই দুইটির আমল হচ্ছে ইছিমকে পেশ দিবে আর খবরকে যবর দিবে । যেমন: مَا زَیْدٌ قَائِمًا  যায়েদ দাঁড়ানো নহে ।

(৪) ‏حروف ندا ৫টি ।

‏یَا – اَیَا – ھَیا – اَیْ – ھمزۂ مفتوحہ

এই হরফগুলোর আমল হচ্ছে ‏منادی مفرد কে পেশ দিবে । যেমন: یَا رَجُلُ  –  یَا غُلَامُ  এবং ‏ منادی مضاف কে যবর দিবে যেমন: ‏یَا غُلَامُ رَجُلٍ

اجراء نحو اسم کے اہم سوالات ،ইলমে নাহুর ইযারা

(৫) حروف استثناء  ১১টি । এই হরফগুলো দুই ভাগে বিভক্ত ।

(১) যবর দাতা   (২) যের দাতা

যবর দাতা ৫টি । ‏اِلّا – مَا خَلَا – مَا عَدَا – لَیسَ – لَا یَکون যেমন: ‏جَاءَ الْقَوْمُ الّا زَیْدًا

যের দাতা ৬টি । ‏غَیْر – سِوا – سَوَا – حَاشَا – خَالَا – عَدَا  যেমন : جَاءَ الْقَومُ غیر زید  অধিকাংশ নাহবীদদের মতে خَالَا – عَدَا  এর  ‏مستثنی  তে যবর হবে ।

 

(৬) ‏لَاۓ نفی جنس ইহা ইছিমকে যবর দিবে خبر কে পেশ দিবে । ‏اِنَّ اَنَّ  এর মতন ইহার ইছিম অধিকাংশ সময় ‏مضاف হইবে ।

যেমন: ‏لَا غُلَامَ رَجُلٍ ظَرِیفٌ فِی الدّار ২য় ইছমে নাকিরাহকে ইহার উপর ‏عطف করিলে ‏اسم نکرہ তে ‏لَا কে ‏تکرار করিতে হইবে । তখন এরাব চার প্রকারে জায়েজ হইবে । যেমন: ‏لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّۃَ اِلَّا بِاللہِ

 

حروف عاملہ ناصبہ এর তফছীল

اَنْ শব্দটি ‏فعل مضارع এর পূর্বে যুক্ত হইয়া ফে’লে মাযারে কে ‏مصدر এর অর্থে পরিণত করবে । তখন উহাকে ‏اَن مصدریّہ বলিবে ।

যেমন: ‏اُرِیْدُ اَنْ تَقُوْمَ  এর অর্থ হবে ‏اُرِیْدُ قِیَامَکَ অর্থ আমার ইচ্ছা তোমার দাড়ানো । আরো সহজ করে বলি “ আমি চাই যে, তুমি দাড়াও। ”

 

لَنْ শব্দটি فعل مضارع কে ‏مستقبل এর অর্থে পরিনত করিবে । এবং مثبت কে ‏نفی تاکید এ পরিনত করিবে । যেমন: لَنْ یَّخْرُجَ زَیْدٌ যায়েদ কখনো বাহির হবে না ।

 

کَیْ শব্দটি   فعل مضارع এর পূর্বে  আসিয়া কোন কাজের সুনির্দিষ্ট লক্ষ বুঝাইবে । যেমন: اَسْلَمْتُ کَیْ اَدْخُلَ الْجَنَّۃَ  আমি ইসলাম গ্রহণ করিলাম, যাতে করে বেহেস্তে যাইতে পারি ।

 

‏اِذَنْ শব্দটি কোন বাক‌্যের প্রতি উত্তরে ব‌্যবহৃত হয় । যেমন কোন ব‌্যাক্তি বলিল ‏اَنَا اٰتِیْکَ غَدًا  আমি আগামী কাল তোমার নিকট আসিবো । তার প্রতি উত্তরে বলিবে । ‏اِذَنْ اُکْرِمَکَ তখন আমি তোমাকে সম্মান করিব ।

 

‏اَنْ ছয়টি শব্দের পরে লুকায়িত থাকিয়া فعل مضارع কে যবর দিবে ।

(১) ‏حَتّٰی এর পরে যেমন : ‏مَرَرْتُ حَتّٰی اَدْخُلَ الْبَلَد অর্থ : আমি শহরে প্রবেশ করা পর্যন্ত ব্রমন করলাম ।

(২) لَامِ کَیْ এর পরে যেমন : اَسْلَمْتُ لِاَدْخُلَ الْجَنّۃَ  আমি ইসলাম গ্রহণ করলাম, যাতে করে বেহেস্তে যাইতে পারি ।

(৩)  لَامِ جُحُد এর পরে যেমন: ‏مَا کَانَ اللہُ لِیُعَذِّبَھُمْ আল্লাহ এমন নয় যে, তাদেরকে শাস্তি দিবেন ।

(৪)  ‏واو صرف এর পরে যেমন: ‏لَاتَاکُلِ السَّمَکَ وَ تَشْرَبَ اللّبَنَ  তুমি দুধ খাওয়া অবস্থায় মাছ খেওনা ।

(৫) ‏اَو শব্দ এর পর :  যে اَو শব্দটি ‏اِلٰی اَنْ অথবা ‏اِلَّا اَنْ এর অর্থ রাখে । যেমন: ‏لَاَلْزِمَنَّکَ اَوْ تُعْطِیَنِیْ حَقِّیْ  আমার হক্ব বা দাবী আদায় না করা পর্যন্ত আমি তোমাকে ছাড়িবো না ।

 

(৬) ‏فاء শব্দ এর পরে, যে ‏فاء ছয় জিনিসের جواب এ আসে ।

ছয় জিনিষ হল – ‏امر – نھی – نفی – استفھام – تمنّی – عرض – নিচে এই ছয় জিনিসের উদাহরণ উল্লেখ করা হল, যা দেখলে সহজে বুঝে আসবে ।

 

امر যথা ‏زُرْنِی فَاَکْرِمُکَ অর্থ আমার সাথে সাক্ষাৎ করিও, তাহলে তাহলে তোমাকে সম্মান করিব ।

نھی যথা لَا تَشْتَمْنِی فَاَکرِمَکَ আমাকে গালি দিওনা, তবেই তোমাকে সম্মান করবো ।

نفی যথা ‏مَاتَاتِیْنَا فَتُحَدِّثُنَا  তুমি আমাদের নিকট আসনা যে, তোমার সাথে আলোচনা করিবো ।

استفھام যথা ‏اَیْنَ بَیْتُکَ فَاَزُوْرَکَ তোমার ঘর কোথায় ? তাহলে তোমার সাথে সাক্ষাৎ করিবো ।

تمنّی যথা ‏لَیْتَ لِیْ مَالًا فَاُنْفِکَ مِنْہُ আফসুস যদি আমার মাল থাকত, তবেই তো আমি তাহা হইতে খরচ করতাম ।  ‏

عرض যথা ‏اَلَا تَنْزِلُ بِنَا فَتُصِیْبَ خّیْرًا তুমি আমাদের নিকট আসনা কেন ? তাহলেই তো তোমার ভালো হইতো ।

ইলমে নাহুর সারাংশ 

حروف جازم এর তফসীল

যে সমস্ত ‏حروف গুলি فعل مضارع এর পূর্বে আসিয়া পাঁচ ছীগাহতে জযম দেয়  حرف علّت না থাকিলে । আর যদি حرف علّت থাকে তাহলে হরফে ইল্লাতকে পেলে দিবে । এবং সাত ছীগাহ থেকে ‏نون اعرابی কে পেলে দেয় । حروف جازم মোট পাঁচটি ।

 

لَمْ শব্দটি ‏فعل مضارع এর অর্থ কে ‏مَاضی منفی এর অর্থে পরিণত করে ।

‏لَمَّا শব্দটি অতীতের পূর্ণ সময়ের অর্থকে ‏منفی করার জন‌্য আসে ।

لَام امر ইহা امر حاضر مجھول এবং امر غائب معروف এবং  ‏ مجھول এর মধ‌্যে আসে ।

‏لَاے نھی ইহা ‏فعل مضارع এর উপর আসিয়া পাঁচ ছীগাহতে لَمْ এর মত عمل করিবে ।

‏اِن شرطیّہ ইহা ‏فعل ماضی এর উপর আসিয়া ‏مستقبل এর অর্থ করিয়া দেয় । ইহা দুইটি فعل এর উপর আসিয়া শেষে জযম দেয় । প্রথমটিকে شرط বলে দ্বিতীয়টিকে ‏جزا বলে ।

‏اِن شرطیّہ এর جزا যদি ‏جملۂ اسمیّہ অথবা ‏امر অথবা ‏دعا হয় । তখন  ‏جزا তে ‏فا আনা ‏واجب হবে । যথা :

১। ‏اِنْ تَاتِنِی فَاَنْتَ مُکْرَمٌ যদি তুমি আমার নিকট আস, তবে তুমি সম্মানিত হবে ।

২। ‏اِنْ رَایْتُ زَیْدًا‏ فَاُکْرِمَہٗ  যদি তুমি যায়েদকে দেখ, তখন তাকে সম্মান কর ।

৩। ‏اِنْ اَتَاکَ عُمَرُو فَلَا تُھِنْہُ যদি তোমার নিকট ওমর আসে, তবে তাকে অপমান করিওনা ।

৪। ‏وَاِنْ اَکْرَمْتَنِی فَجَزَاکَ اللّہ خَیْرًا এবং যদি তুমি আমাকে সম্মান কর, আল্লাহ তোমাকে উত্তম প্রতিদান দিবে ।

حروف عاملہ جارّہ এর তফসীল

ب অর্থ নিকটে, সঙ্গে বা সহিত, দ্বারা বা দিয়া যথা : کَتَبْتُ بِالْقَلَمِ

‏ت এবং ‏و এই দুইটি কসম বা শপতের জন‌্য আসে । যথা: وَاللہِ – تَاللہِ

‏ک অর্থ “ মত ” বা “ন‌্যায়” যেমন: زَیْدٌ کَالْاسَدِ যায়েদ সিংহের মত ।

‏لَام অর্থ জন‌্য । যথা : الْمَالُ لِزَیْدٍ মাল যায়েদের জন‌্য ।

مُذْ এবং ‏مُنْذُ এই দুইটি শব্দের অর্থ – “হইতে এবং থেকে” সময়ের শুরু বুঝাইবার জন‌্য আসে । যেমন: مَا رَاَیْتُہٗ مُنْذُ یَوْمَینِ  আমি তাকে দুই দিন থেকে দেখি নাই ।

حَاشَا – خَلَا – عَدَ এই তিনটি শব্দ “ছাড়া এবং ব‌্যতিত” অর্থে ব‌্যবহৃত হয় । যথা: ‏حَاشَا زَیْدٍ যায়েদ ছাড়া ।

رُبَّ শব্দটি কোন সময় “অল্প” অর্থ বুঝায় । আবার কোন সময় “অনেক” অর্থে ব‌্যবহৃত হয় । যথা : رُبَّ رَجُلٍ لَقِیْتُہٗ

فِیْ অর্থ মধ‌্যে বা ভিতরে কোন সময় উপরের অর্থ ও বুঝায় ।

‏مِنْ অর্থ হইতে যথা مِنَ الْکُوْفَۃِ কূফা হইতে । ইহা স্থান বা কালের শুরু বুঝাইতে আসে ।

عَلٰی অর্থ উপর যেমন: ‏الْکِتَابُ عَلَی الطَّاوِلَۃِ  কিতাবটি টেবিলের উপর ।

عَنْ অর্থ থেকে বা হইতে যথা: رُوِیَ عَنْ فُلَانٍ অমুক থেকে বর্ণিত । عَنْ কোন কোন সময় সম্পর্কের অর্থে ব‌্যবহৃত হয় ।

‏حَتّٰی অর্থ: পর্যন্ত বা সহ । যেমন: ‏اَکَلْتُ السَّمَکَ حَتّٰی رَاسِھا আমি মাছের মাথা সহ খেয়েছি ।

‏اِلٰی অর্থ: পর্যন্ত বা সহ । যেমন: ‏سِرْتُ مِنَ الْبَصرَۃِ اِلَی الْکُوْفَۃِ আমি বছরা হইতে কুফা পর্যন্ত ভ্রমন করেছি ।

 

حَتّٰی এবং اِلٰی এর মধ‌্যে পার্থক‌্য এই যে, حَتّٰی ইহা শুধুমাত্র ‏اسم এর উপর আসে । কিন্তু اِلٰی ইহা اسم এবং ضمیر দুইওটার উপর আসে । যেমন: ‏اِلَی الْکُوْفَۃِ – اِلَیْہِ

 

حَتّٰی এবং اِلٰی এর ‏مَا بَعْد যদি ‏مَاقبل এর ‏جنس থেকে হয় তখন ‏مَا بَعْد উহার مَاقبل এর মধ‌্যে সামিল থাকিবে ।

যথা : ‏فَاغْسِلُوْا وُجُوْھَکُمْ اِلَی الْمَرَافِق  –  اَکَلْتُ السَّمَکَ حَتّٰی رَاسِھا

 

حَتّٰی এবং اِلٰی এর ‏مَا بَعْد যদি ‏مَاقبل এর ‏جنس থেকে না হয় তখন ‏مَا بَعْد উহার مَاقبل এর মধ‌্যে সামিল থাকিবে না ।

যথা : ‏اَتِمُّوا الصِّیَامَ اِلَی اللّیلِ

حروف مشبّہ এর তফছীল

১ ও ২ । ‏اِنَّ – اَنَّ  কে ‏حروف تحقیق বলে । এই হরফগুলো কোন কাজের বা ব‌্যক্তির নিশচ্য়তা দিবার জন‌্য আসে । যথা: ‏اِنَّ زَیْدًا قَائِمٌ  নিশ্চয় যায়েদ দাড়ানো ।

৩। ‏کَاَنَّ এই হরফটি উপমা দেওয়ার জন‌্য আসে । যথা: ‏کَاَنَّ زَیْدًا اَسَدٌ যায়েদ যেমন একটি সিংহ । এইভাবেও বলতে পারি, যায়েদ সিংহের মত ।

৪। لٰکِنَّ ইহা সন্দেহকে দূর করার জন‌্য আসে এবং ইহা দুইটি ‏جملہ এর মাঝখানে আসে । যথা: ‏جَاءَ خَالِدٌ لٰکِنَّ عَمْرًوا غَائِبٌ খালিদ আসিল কিন্তু ওমর অনুপস্থিত রহিল ।

৫। ‏لَیْتَ ইহা আকাঙ্খা প্রকাশ করার জন‌্য আসে । যথা: ‏لَیْتَ الشّبَابَ یَعُوْدُ যৌবন যদি ফিরিয়া আসিত ।

৬। لَعَلَّ ইহা সম্ভাবনা প্রকাশ করার জন‌্য আসে । যথা: ‏لَعَلَّ خَالِدًا غَائِبٌ  সম্ভবত খালিদ অনুপস্থিত ।

 

‏حَرْفِ مَا وَ لَا যাহা ‏لَیْسَ এর সাথে সাদৃশ‌্য রাখে এবং لَیْسَ এর মত আমল করিবে । যথা: ‏مَا زَیْدٌ قَائِمًا যায়েদ দাড়ানো নয় ।

 

حَرْفِ لَا لِنَفْیِ الْجِنْسِ ইহার ইছিম অধিকাংশ সময় مضاف হয় । ইছিমকে যবর এবং খবরকে পেশ দিবে ।

যথা: ‏لَا غُلَامَ رَجُلٍ ظَرِیْفٌ فَی الدّارِ ঘরের মধ‌্যে কোন ব‌্যক্তির গোলাম চতুর নাই ।

নূরানী সিলেবাস-শিশু শ্রেণি-ফিকরী প্রকাশনী

جَواب قسم

قسم এর জন‌্য جَواب قسم জরুরী ।

جَواب قسم দুই ভাগে বিভক্ত (১) ‏جَواب ‏قسم اسمیّہ  (২) جَواب قسم فعلیۃ

 

جواب قسم اسمیّہ দুই প্রকার  (১) ‏مُثْبتہ  (২) ‏مُنْفِیّہ অর্থাৎ হাঁ বাচক এবং না বাচক ।

 

(১) جَواب قسم উহা مُثْبتہ  হইলে جَواب এর শুরুতে ‏لَامِ مَفْتُوْحہ  থাকিবে । যথা: وَاللّٰہِ لَزَیْدٌ قَائمٌ অথবা ‏اِنَّ থাকিবে ।

যথা: وَاللّٰہِ اِنَّ زَیْدًا قَائمٌ

(২) جَواب قسم উহা مُنْفِیّہ হইলে ‏جَواب  এর শুরুতে لَا – مَا – ان থাকিবে । যথা: وَاللّٰہ مَا زَیْدٌ قَائِمًا

 

جواب قسم فعلیہ উহা দুই প্রকার । (১) ‏مُثْبتہ  (২) ‏مُنْفِیّہ অর্থাৎ হাঁ বাচক এবং না বাচক ।

১। ‏جواب قسم فعلیہ উহা مُثْبتہ  হয়ে مَاضی হউক বা ‏مضارع হউক , جَواب এর শুরুতে لَامِ থাকিবে । ৎ

مَاضی যথা: ‏وَاللّٰہِ لَقَدْ قَامَ زَیْدٌ এবং مضارع যথা: ‏وَاللّٰہِ لَاَفْعَلَنَّ کَذَا

২। جواب قسم فعلیہ উহা مُنْفِیّہ হয়ে مَاضی হইলে جَواب এর শুরুতে مَا শব্দ থাকিবে । যথা: ‏وَاللّٰہِ مَا قَامَ زَیْدٌ উহা مُنْفِیّہ হয়ে مضارع হইলে جواب এর শুরুতে لَا – مَا – ان থাকিবে ।

যথা: ‏وَاللّٰہِ لَنْ اَفْعَلَ کَذَا – وَاللّٰہِ لَا اَفْعَلَنَّ کَذَا – وَاللّٰہِ مَا افْعَلَ

عاملہ আমল বিহীন অব‌্যয় ১৬টি ।

১ । ‏حروف تنبیہ তিনটি যথা: اَلَا – اَمَا – ھَا

২ । حروف ایجاب ছযটি যথা: نَعَم – بَلٰی – اَیْ – اَجَلْ – جَیْر – اَنْ

৩ । ‏حرف تفسیر দুইটি যথা: اَیْ – اَنْ

৪ । حروف مصدریہ তিনটি যথা: ‏مَا – اَنْ – اِنْ

৫ । حروف تخصیص চারটি যথা: اَلّا – ھَلّا – لَوْمَا – لَوْمَا

৬ । ‏حَرْف تَوَ قُّع একটি যথা: قَدْ

৭ । ‏حَرْف رَدَعْ একটি যথা: کَلَّا

৮। ‏حَرُوْف اِسْتِفْھَام তিনটি যথা: مَا – ھَلْ – ہمزۂ مفتوحہ

৯ । ‏حَرُوْف زِیَادت আটটি যথা: اَنْ – اِنْ – مَا – لَا – لَ – بَ – کَ – مِنْ

১০ । حَرُوْف عَطْف দশটি যথা: ‏وَ – فَ – ثُمَّ – حَتّٰی – اَوْ – اَمْ – اِمَّا – لٰکِنَّ – بَلْ – لَا

১১ । ‏نون تاکید দুইটি যথা: نُونِ ثَقِیْلَہ – نُوْنِ خَفِیْفَہ

১২ । ‏حَرْف شَرْط দুইটি যথা: ‏اَمَّا – لَوْ

اَمَّا এটা ব‌্যাখ‌্যার দেওয়ার জন‌্য আসে । যাহার উত্তরে ف থাকে যথা: ‏فَاَمَّا الَّذِیْ سَعِدُوْا فَفِی الْجَنَّۃِ

لَوْ   ইহা প্রথমটি না হওয়া এবং ২য় টি হই নাই বুঝাইতে আসে । যথা: لَوْ کَانَ فِیْھِمَا اٰلِھَۃٌ اِلَّا اللّٰہ لَفَسَدَتَا

১৩ । حَرْف لَوْلَا একটি, ইহা প্রথমটি হওয়ার কারণে ২য় টি হয় নাই বুঝাইতে আসে । যথা: لَوْلَا عَلِیّٗ لَھَلَکَ عُمَرُ

১৪ । لَام تَاکِیْد যথা:  ‏لَزَیْدٌ اَفْضَلُ مِنْ عَمْرٍو

১৫ । مَا بمعنی مَادَامَ ইহা مَادَامَ এর অর্থে ব‌্যবহৃত হয় । যথা: اَقْوَمُ مَا جَلَسَ الْاَمِیْرُ

১৬ । ‏تَنْوِین ইহা পাঁচ প্রকার ।

(১) ‏تمکّن (২) تنکیر (৩) عِوَض (৪) مُقَابَلہ (৫) تَرَنُّم

‏تَنْوِین تَرَنُّم ইহা اسم – فعل – حرف সকল ক্ষেত্রে ব‌্যবহার হয় । কিন্তু বাকী চার প্রকার اسم এর জন‌্য خاص যেমন:

‏اَقُلِی اللَومَ عَاذِل وَالْعِتَابَنْ  – وَقُوْلِیْ اِنْ اَصَبَتْ لَقَدْ اَصَابَنْ

Md Nasir Uddin

I'm a Normal Person.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

হোয়াটসঅ্যাপ