হিজরী সন এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য:
হিজরতের বরকত
মুহাররমের তাৎপর্য
এ যাবত আলোচনা থেকে আমরা কয়েকটি বিষয় জানতে পারলাম:
মুহাররমের আমল
মুহাররমের এক নম্বর আমল
মুহাররমের দুই নম্বর আমল
صِيَامُ يَوْمِ عَاشُورَاءَ اِنّى اَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أنْ يُكَفِّرَ السَّنَةَ الَّتِي قَبْلَهُ وَالسَّنَةَ الَّتِي بعدة (صحيح مسلم، الصيام استحباب صيام ثلاثة ايام ٣٦٧/١ رقم: ١١٦٢)
আশুরার রোযা যেভাবে এলো
মুহাররমের তিন নম্বর আমল
আশুরা মানে কারবালা নয়
জন্মদিবস, মৃত্যুদিবস পালন করা বিদ’আত
🌙 মুহাররমের ১০ তারিখে (আশুরা) ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাসমূহ:
১. হজরত ইমাম হুসাইন (রাঃ)-এর শাহাদাত (৬১ হিজরি)
-
ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ঘটনা। হজরত আলী (রাঃ) ও হজরত ফাতিমা (রাঃ)-এর পুত্র, রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর প্রিয় নাতি হুসাইন (রাঃ) এই দিনে কারবালার প্রান্তরে ইয়াজিদের সেনাবাহিনীর হাতে নির্মমভাবে শহীদ হন।
-
কারবালার এই ঘটনা অন্যায়ের বিরুদ্ধে সত্য ও ন্যায়ের প্রতীক হয়ে আছে আজও।
২. হজরত মুসা (আঃ) ও বনী ইসরাইলের মুক্তি
-
ফেরাউনের দমন-পীড়নের হাত থেকে হজরত মুসা (আঃ) এই দিনে তাঁর অনুসারীদের নিয়ে সমুদ্র পার হন। আল্লাহ তা’আলা সমুদ্রকে ভাগ করে দেন এবং ফেরাউন ও তার বাহিনী সমুদ্রে ডুবে যায়।
৩. হজরত নূহ (আঃ)-এর নৌকার পাহাড়ে অবতরণ
-
হজরত নূহ (আঃ)-এর সময়কার মহাপ্লাবনের পর তাঁর নৌকা আশুরার দিনে ‘জুদি পাহাড়ে’ অবতরণ করে বলে বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে।
৪. হজরত আদম (আঃ)-এর তওবা কবুল
-
হাদীস অনুযায়ী, এই দিনেই হজরত আদম (আঃ)-এর গোনাহ মাফ করে তাঁকে জান্নাতের আশ্বাস দেওয়া হয়।
৫. হজরত ইউনুস (আঃ)-এর মুক্তি
-
হজরত ইউনুস (আঃ) যখন মাছের পেটে বন্দী ছিলেন, তখন এই দিনে তিনি মুক্তি পান।
৬. হজরত ইব্রাহিম (আঃ)-এর জন্ম বা আগুন থেকে মুক্তি
-
কিছু বর্ণনায় আছে, হজরত ইব্রাহিম (আঃ) এই দিনে আগুনে নিক্ষিপ্ত হয়েছিলেন এবং আল্লাহ তাঁকে অগ্নি থেকে রক্ষা করেছিলেন।
শিয়াদের অপসংস্কৃতির আগ্রাসন
📌 উপসংহার:
মুহাররমের ১০ তারিখ শুধু একটি রোজার দিন নয়—এটি সত্য, ন্যায়, ত্যাগ, ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসার প্রতীক। আশুরা আমাদেরকে শিক্ষা দেয়—জুলুমের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, আল্লাহর ওপর আস্থা রাখা এবং আত্মত্যাগের গুরুত্ব।
Thank you for reading the post.

